কলেজের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
বাগেরহাট জেলা বাংলাদেশের একটি অন্যতম বিখ্যাত জেলা। এই জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে রামপাল উপজেলা। বিভিন্ন কারণে এই বিখ্যাত উপজেলাটি এর সুনাম বহন করছে। একসময়ে এই উপজেলার মানুষের প্রচুর ধান, মাছ, ফসল ও গবাদি পশু ছিল। এখানে মানুষ শান্তি, সম্প্রীতি এবং সুখে জীবনযাপন করে। রামপালের মানুষ তাদের কোমলতা, আন্তরিকতা, মানবিকতা এবং হৃদয়ের ভালবাসার জন্যও বিখ্যাত। কিন্তু এক সময়ে এই উপজেলায় মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আলাদা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলনা। মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য তৎকালীন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, শিক্ষানুরাগী এবং অসামান্য মুক্তিযোদ্ধা জনাব আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক, জেলা সাব-জজ জনাব জালাল আহমেদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধা আবুল বশীর মোড়ল, বর্তমান অধ্যক্ষ জনাব শেখ খালিদ আহমেদ, বাবু কার্তিক চন্দ্র মন্ডল, বাবু মনোরঞ্জন মন্ডল, মাস্টার ইসহাক আহমেদসহ এলাকার বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ০১ অক্টোবর ১৯৯৩ খ্রিঃ তারিখে ভাগা বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি বটগাছের নিচে এক সভা করেন। সভায় জনাব আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিককে এই সুন্দরবন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ নির্বাচিত করা হয় এবং তাকে কলেজটি প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই কলেজটি ১৯৯৪-১৯৯৫ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর কর্তৃক উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রথম পাঠদানের অনুমতি লাভ করে। এছাড়া ১৯৯৮-১৯৯৯ শিক্ষাবর্ষ হতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডিগ্রি পর্যায়ে এবং ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষ হতে অনার্স কোর্সে প্রথম সাময়িক অধিভূক্তি লাভ করে। বর্তমানে কলেজটি ডিগ্রি পর্যায়ে এমপিওভূক্ত। উপজেলার একমাত্র মহিলা কলেজ হওয়া স্বত্ত্বেও কলেজটিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা এবং শিক্ষার্থীদের পাসের হার উপজেলার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
সাম্প্রতিক তথ্য